Mostbet giris: En Guvenilir Bahis Deneyimi

Türkiye’nin en iyi canlı bahis sitesi yeni üyelerine seçme hakkı tanıdı. Mostbet güvenilir mikonusuna gelince, bu site kullanıcıların hesap güvenliğini sağlamak için tüm online güvenlik sertifikalarına sahip. Ancak aslında bu sizi ve hesabınızı koruma altına alıyor.

Çeşitli casino oyunlarına ve slot dünyasına yönelik bol bonuslu sitelerden birisi olacaktır. Sizler de Mostbet ile faydalı bonusları incelemek ve bedava döndürme hakkını alabilmek için harekete geçebilirsiniz. Hoşgeldin bonuslarını alarak veya yatırımlarda free spin haklarını elde ederek bedava döndürme şansını yakalayabilirsiniz. Para yatırmadan veya yatırım yaptıktan hemen sonra alabileceğiniz bonus türlerine göz atmak ve güvenilir giriş yapmak için yeni giriş adreslerine erişim sağlamanız gerekmektedir. Böylece daha rahat ve konforlu slot deneyimlerini yaşatacak bir platformda olduğunuzu görebileceksiniz. Slot oyun çeşitlerini ve kazançlı slot türlerini keşfetmenizin böylelikle mümkün olacağının da altını çizmekteyiz. Casino oyunları, canlı casino, blackjack ve rulet gibi online oyunlarda çağ atlamış bir casino ortamı sunulmaktadır.

mostbet güncel giriş

Mostbet’a giriş veya mobil giriş yapmak için sitemizi kullanabilirsiniz. Mostbet açılmıyor şikayeti genellikle sitenin ülkemiz kurumları tarafından engellenmesinden kaynaklanıyor. Bahislerin özendirilmesini engellemek için yapılan bu uygulama, maalesef arada bir siteye girememeniz ile sonuçlanıyor. Sorunsuzgiriş için elinizde en son adresbulunmalı ve bunu elde etmenin yolu da sitemize girmek. Çünküweb sitemizde bulunan en güncel giriş linkleriile her bahis sitesinin en güncel adresine erişebiliyorsunuz. Yani bir dahaki sefere Mostbet’a giremiyorum dediğinizdesitemizi ziyaret ederek Mostbet giriş bağlantısına tıklayın. Cepten bahis yapmak için özel bir uygulama indirmenize de gerek yok.

Mostbet İnceleme Yeni 2024

Hight ve Low seviyelerinde üyelerin bakiyelerine yönelik açılan onlarca masadan birine giriş yaparak istediğiniz miktarda oynayabilirsiniz. Aradığınız online oyun hangisi olursa olsun, en kaliteli ve eğlencelisini en güvenilir ortamda yani Mostbet’da bulacaksınız.

  • Mostbet Giriş adreslerine ve Mostbet Twitter resmi adresine sayfamız üzerinden akıllı butonları kullanarak giriş yapabilirsiniz.
  • Mobil bahis oyuncu için geliştirilmiştir ve şu anda bizim site ayrıca bir uygulama ile bu sitelere erişebilir Türkiye’nin en güvenilir bahis siteleri olduğunu var.
  • Uzun süreli zevk yasayabilceginiz alanda çok iyi miktarlar kazanmak mümkündür.
  • Şifremi unuttum paneli sayesinde e mail adresinize bir link gönderiliyor.
  • Türkiye’nin en güvenilir canlı bahis ve canlı casino sitesi Mostbet hakkında, tüm detayları sizler için bir yazıda derledim.

Transfer bahisleri yaz ve kış döneminde oldukça önemli yer tutuyor. Futbol dünyasında özellikle oyuncuların nereye transfer olacağına dair bahis yapmak son derece kolaydır.

Çünkü sahte ve dolandırıcılık yapan siteler fazla olacağından orijinal hesabı dışında sayfalarda var. Mostbet Yeni Giriş Adresleri hakkında her şeyi burada bulacaksın. Yazımı oku ve Mostbet güncel adreslerine sorunsuz giriş yap. Mostbet Yeni Giriş Adresleri Mostbet güncel giriş adresleri…

Futbol Bahisleri

Dolayısıyla hangi maç tipine odaklandığınıza göre tercihlerinizde değişiklikler yapabilirsiniz. Bahisleri kuponlara eklemek içinse tek yapılması gereken şeyoranların üzerine tıklamak, ardından da kuponu onaylamak. Bunun için hesabınızda kullanabileceğiniz bir paranızın olması gerektiğini de unutmayın.

Ücretsiz canli maç yayini izlerken hemde canli bahis yapabileceginizi biliyor muydunuz? Dünya ligleri için yayinci kuruluslardan yasal olarak izin alan ve bunun için izin alan site üzerinde hesabiniz oldugu takdirde maçlari ücretsiz olarak izleyebilirsiniz. Maç oynanirken sürekli degisen bahis oranlariyla bilgi ve tecrübenizi ekleyerek para kazanabilirsiniz.

Mostbet Kampanyaları

Üstelik bu kampanyadan yararladığınızda, sadece o haftanın en önemli maçına, özel Extra Oran fırsatından da yararlanabilirsiniz. Dikkat etmeniz tek gereken nokta bu kampanyadan yararlanırken, Ecopayz para yatırma yöntemi ile işlem yapmamanızdır. Ecopayz ile yapılan işlemler bu kampanyaya dahil değildir. Siz de her gün Mostbet giriş yapıp, kuponlarınızı oynayarak kazanma şansınızı ve kazanma oranınızı artırabilirsiniz. Başka siteler üzerinden giriliyorsa sayfanın orijinal Mostbet sayfası olduğundan emin olun.

Futbol, basketbol, voleybol, tenis, e-sporlar, buz hokeyi, beyzbol, golf, hentbol, motor sporları ve çok çok daha fazlası ayrı ayrı kategoriler altında bulunabiliyorlar. Yani futbol dışındaki müsabakaları kuponlarında değerlendirmek isteyenler için seçenekler konusunda herhangi bir kısıtlama yok. Özellikle futbol bazında değerlendirirsek, oranlar konusunda çok güzel imkanlar mevcut. Mostbet bazı lig ve kupalardaçok iyi oranlar sunduğu için diğer bahis sitelerininyanında onun oranlarını daima takip etmelisiniz. Örneğin Avrupa kupalarında genelde beraberlik ve deplasman için en yüksek oranları sunabiliyor.

Mostbet sitesine sorunsuz giriş 2024 de en çok sevilenlerdendir. Bunun nedeni bildiğiniz gibi ne kadar çok bahis sitesi olursa ve daha fazla bahislere katılmak olduğu kadar daha fazla para kazanabilmek için bahislere katılmaya devam etmektedirler. Şans oyunları dediğimizde aslında aklımıza gelen canlı casino ve casino lobisinde yer alan oyunlardır. Sonuçta her ne kadar bahis yapmakta tahmin olsa da gene de bir altyapısı bulunmaktadır. Fakat casino oyunlarında kazanmak tamamen o anda sahip olduğunu şansınız ile alakalıdır.

নতুনদের জন্য অ্যাকুরিয়াম সাজানোর টিপস

অ্যাকুরিয়াম সাজানো নতুনদের জন্য একটি উত্তেজনাদায়ক এবং শিক্ষাদায়ক অভিজ্ঞতা, যা জীবনে নতুন সুযোগ এবং উৎসাহ নিয়ে আসে নতুনদের মাঝে। সেইসাথে অ্যাকুরিয়াম সাজানো একটি আদর্শ উপকরণ, সহজ এবং সুন্দর প্রক্রিয়া। আপনার অ্যাকুরিয়াম সাজানো প্রস্তুতি নেওয়া যেতে পারে আপনি যে ধরনের মাছ ও সামগ্রী আপনার জলাশয়ে রাখতে চান সেটার উপর নির্ভর করে। এটি আপনাকে জলজমজ প্রাণী প্রতিষ্ঠা করতে ও তাদের যত্নের জন্য সঠিক দক্ষতা এবং তাদের সম্পর্কে জ্ঞান দেওয়ার মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে। তবে, নতুনদের জন্য অ্যাকুরিয়াম সাজানোর প্রথম ধাপে কিছু মৌলিক পরামর্শ ও টিপস রয়েছে যা সাহায্য করতে পারে এই সম্পর্কে নতুন অ্যাকুয়ারিস্টদের পর্যাপ্ত ধারনা পাওয়ার জন্য।

ছোট অ্যাকুরিয়াম দিয়ে শুরু করুন

অ্যাকুরিয়াম সাজানোর টিপস

নতুন অ্যাকুরিয়াম সাজানোর প্রথম ধাপে আপনি ছোট আকারের অ্যাকুরিয়াম নির্বাচন করতে পারেন। এটা আপনাকে অ্যাকুরিয়ামের প্রবেশদ্বার খুঁজে আনায় এবং এটির উপরে যে সাজানোর সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে সেগুলি সম্পর্কে আপনাকে অভিজ্ঞতা নেওয়ার সুযোগ করে দেয়।

সঠিক জলাশয় বাছাই করুন

অ্যাকুরিয়ামে বিভিন্ন ধরনের মাছ রাখা যায়, তাদের জন্য সঠিক প্রকারের জলাশয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যে প্রকারের মাছ রাখতে চান সেই মাছের জন্য উপযুক্ত জলাশয় নির্বাচন করা জরুরি।

মাছের পুষ্টি ও পরিচর্যা

 

আপনি যে মাছ পালন করবেন তাদের পুষ্টি এবং পরিচর্যা খুব ভালো ভাবে করতে হবে এবং সাজানো থাকতে হবে। তাদের জন্য প্রয়োজনীয় খাবার প্রদান করা ও জলাশয়ের পরিষ্কারতা নিশ্চিত করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সম্পর্কিত সামগ্রী নির্বাচন করুন

অ্যাকুরিয়াম সাজানোর জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী যেমন ফিল্টার, স্ট্যান্ড, লাইট, ওটার ট্রিটমেন্ট, সাবস্ট্রেট, প্ল্যান্টস, আদি নির্বাচন করতে হবে।

নিয়মিত পরিচর্যা করুন

অ্যাকুরিয়াম সাজানোর টিপস

মাছের নিয়মিত যত্ন ও পরিচর্যা করা খুবই জরুরি। এটি তাদের সুস্থ এবং সুখদ থাকার জন্য প্রয়োজন।

সাইক্লিং (Cycle) প্রক্রিয়া

নতুন অ্যাকুরিয়াম সাজানোর আগে সাইক্লিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি অ্যাকুরিয়ামের পানিতে উপস্থিত অমূর্ত পদার্থ পরিবর্তন করে এবং সম্পূর্ণ পানিতে প্রাণীগুলির জন্য সুস্থ পরিবেশ তৈরি করে।

অ্যাকুরিয়ামে মাছ যোগ করুন

অ্যাকুরিয়ামে মাছ যোগ করার পরে প্রয়োজনীয় মৌসুমী সাজানো পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। এটি মাছগুলির পুষ্টি ও সাবধানতা নিশ্চিত করে এবং তাদের স্বাভাবিক পরিবেশ প্রদান করে

প্রোপার ফিলট্রেশন নিশ্চিত করুন

একটি ভালো অ্যাকুরিয়ামের জন্য উপযুক্ত ফিল্টার নির্বাচন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি জলাশয়ের পরিষ্কারতা নিশ্চিত করে এবং মলমূত্র পরিষ্কার করে যা মাছগুলির জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে।

প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা ও অক্সিজেন নির্ভরশীলতা নিশ্চিত করুন

অ্যাকুরিয়ামের সঠিক তাপমাত্রা এবং অক্সিজেন সাপেক্ষে প্রাণীগুলির সাথে একত্রিত হওয়া জরুরি। এটি তাদের সুস্থ ও সুখী রাখার জন্য প্রয়োজন।

নিয়মিত পরীক্ষা ও সম্পর্কে শিক্ষিত হোন

অ্যাকুরিয়াম সাজানোর জন্য প্রতিনিয়ত সময় নিতে ও প্রফেশনাল পরামর্শ গ্রহণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিতভাবে পরীক্ষা করা আপনার অ্যাকুরিয়ামে যে কোনও সমস্যা সমাধান করতে সাহায্য করবে এবং আপনার প্রাণীগুলির সুস্থতা নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে।

উপসংহার

এই প্রক্রিয়াটি শিখতে সময় নিতে পারে, তবে প্রতিটি পদক্ষেপ আপনাকে অ্যাকুরিয়াম সাজানো প্রক্রিয়ার জন্য সঠিক পদক্ষেপ হিসেবে সাহায্য করবে এবং আপনার প্রাণীগুলির সুস্থতা ও সুখবর্ধন নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে। ধৈর্য এবং প্রতিবদ্ধতা সাথে সহজেই আপনি অ্যাকুরিয়াম সাজানো শুরু করতে পারেন এবং একটি সুন্দর এবং সুখী জগত সৃষ্টি করতে পারেন।

আপনার পোষা কুকুরের যত্ন নিয়ে সঠিক সমাধান

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা বাড়িতে পোষা প্রাণী লালন-পালন করে থাকেন। যার মধ্যে একটি হলো কুকুর। কিন্তু আপনার এটা জানেন না যে কিভাবে আপনার পোষা কুকুরের যত্ন নিবেন। এই আর্টিকেলে আপনার পোষা কুকুরের যত্ন নিয়ে বিস্তার একটা ধারনা দেওয়ার চেষ্টা করবো।

পোষা প্রাণী বাড়িতে নিয়ে আসা এটা আপনার দায়িত্ব। একটি পোষা প্রাণী বাড়িতে নিয়ে আসা মানে বাড়িতে নতুন সদস্য যুক্ত করা।  ঘরজুড়ে তার ছোটাছুটি, খেলা করা কিংবা সঙ্গ দেয়া সবই বেশ উপভোগ্য হয়ে ওঠে। আবার পোষা প্রাণী মানেই যে শুধু সঙ্গ দেয় তা কিন্তু নয়, এক সময় সে হয়ে ওঠে আমাদের প্রিয় বন্ধু। এই নতুন বন্ধুর জন্য দরকার পর্যাপ্ত যত্ন এবং সুস্থ পরিবেশ।

পোষা কুকুরের যত্ন নিতে নির্দিষ্ট জায়গার ব্যবস্থা করুন

প্রথমত কুকুরের থাকার জন্য একটি আবাসস্থান গড়ে তুলুন। ফ্ল্যাট বাসা হলে ফ্ল্যাটের ভিতর এবং উঠান বাড়ি হলে উঠানে- দুই জায়গায় পোষা কুকুরের জন্য আরামদায়ক থাকার জায়গা নির্দিষ্ট করে ফেলুন। কুকুরের ছোট জাতের তুলনায় বড় জাতগুলোর থাকার জন্য বেশি জায়গা প্রয়োজন হয়। তাই কিনে আনার আগে কুকুরটি কোথায় থাকবে, তা আরামদায়ক হবে কি না, এসব ঠিক করে ফেলা দরকার।

কুকুরকে খাবার খাওয়ানোর অভ্যাস তৈরি করুন

পোষা কুকুরের যত্ন

বাড়িতে নিয়ে আসার পর কুকুর যদি খাবার না খেতে চায় তাহলে চিন্তা করার প্রয়োজন নেই। ব্যপারটা খুবই স্বাভাবিক যে একটি নতুন পরিবেশে এসে খাবার না খাওয়া। তবে এটা জানার চেষ্টা করুন সে আগের পরিবেশে থাকাকালীন কিভাবে খাবার খেতো। আপনি যদি এটা জানতে পারেন তাহলে আপনার জন্য খুবই ভালো আর যদি না জানতে পারেন তাহলে নতুর পরিবেশের সাথে কুকুরটিকে খাবার খাবার খাওয়ানোর অভ্যাস গড়ে তুলুন।

স্বাস্থ্যকর ডগ ফুড নিতে ভিজিট করুন।

পোষা কুকুরের যত্ন নিতে নতুন পরিবেশে কিভাবে খাবার খাওয়াবেন?

নতুন পরিবেশে খাবার খাওয়ানোর জন্য কুকুরটিকে আজকে এক সময় কালকে এক সময় বা বিভিন্ন সময়ে খাবার খাওয়ানো বন্ধ করুন এবং নির্দিষ্ট একটা সময়ে তাকে খাবার দিন। শুরু থেকেই তাকে বুঝতে দিন যে সব সময় এই নির্দিষ্ট সময়েই খাবার খেতে হবে। কুকুরটিকে বাড়তি খাবার না দিয়ে বয়স অনুযায়ী যেটুকু প্রয়োজন সেটুকুই খাবার দিন। সেইসাথে খেয়াল রাখবেন খাবার এর সাথে যাই দেন না কেনো কুকুরটি যেনো পর্যাপ্ত পরিমানে পানি পান করে। আর এভাবেই তাকে নতুন পরিবেশের জন্য উপযোগী করে তুলুন।

কুকুরের জন্য একটি ডেইলি রুটিন তৈরি করুন

নতুন কুকুরছানাটিকে প্রথম থেকেই ধীরে ধীরে তার রুটিনে অভ্যস্ত করে নিন। প্রতিদিন সকালে হাঁটতে নিয়ে যাওয়া, ক্রেটে কতখানি সময় থাকবে, পটি ট্রেইন, দিনে কতবার খেতে দেয়া হবে এর সবটাই তৃতীয় দিন থেকে শুরু করতে পারেন।

কুকুর খুব দ্রুত অভ্যাসের সাথে মানিয়ে নেয়। তাই তাকে কীভাবে রাখবেন, সেক্ষেত্রে সিদ্ধান্তও দ্রুত নিতে হবে। যদি আপনি চান, কুকুর কখনোই সোফায় বসবে না, ডাইনিং টেবিলে উঠে পড়বে না, তবে প্রথম থেকেই তাকে সেভাবে ট্রেনিং দিন। আগে থেকে অভ্যাস না করালে পরবর্তীতে অভ্যাস বদলানো কঠিন হয়ে উঠবে।

কুকুরের সাথে খেলনা দিয়ে খেলা করুন

পোষা কুকুরের যত্ন

কুকুরের যত্ন নেওয়ার সবথেকে ভালো মাধ্যম হলো কুকুরের সাথে খেলনা দিয়ে খেলা করা। কুকুরের জন্য বিভিন্ন খেলনা কিনে রাখতে পারেন। এটি আপনার ও কুকুরছানার মাঝে সম্পর্ক সহজ করার ক্ষেত্রে খুবই হেল্প করবে। কুকুরছানা একটু বড় হওয়ার সাথে সাথে দাঁত দিয়ে বিভিন্ন জিনিস কামড়াতে চায়। বিভিন্ন খেলনা দেয়া থাকলে সে ঘরের জিনিস কামড়ে নষ্ট করবে না। এটা আপনার পোষা কুকুরের যত্ন নিতে বেশ উপকারী হবে।

পশু চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ রাখুন

আপনার কুকুরের সুস্থ স্বাস্থ্যের জন্য পশু চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ রাখা প্রয়োজন। টিকাদান ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। এগুলো যেন নিয়মিত হয়, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে। কখনো কখনো দুর্ঘটনা বা অন্যান্য কারণে জরুরি অবস্থা সৃষ্টি হতেই পারে। জরুরি অবস্থায় কুকুরটি যেন প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পায়, সে জন্য একজন অভিজ্ঞ ও বিশ্বস্ত পশু চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা প্রয়োজন।

ডগ ট্রেনিং দেওয়া

আপনার পোষা কুকুরকে ডগ ট্রেনিং দেওয়ালে আপনার স্ট্রেস অনেকটা কমে যাবে। ডগ ট্রেনিং মানে হলো কুকুরকে সুশৃঙ্খলভাবে বিভিন্ন আচরণ শেখানো। আপনার কুকুরের জন্য ডগ ট্রেনিং অবশ্যই দরকার। দুর্ঘটনা থেকে বাঁচতে এবং খারাপ অভ্যাস থেকে কুকুরকে দূরে রাখতে যথাযথ ডগ ট্রেনিংয়ের বিকল্প নেই। তাই পোষা কুকুরকে ডগ ট্রেনিং দেওয়ার ব্যবস্থা আগেভাগেই করে রাখতে হবে।

আপনার অ্যাকোরিয়ামের জন্য সেরা পাচঁটি অ্যাকোরিয়াম ফিশ

অ্যাকোরিয়ামের জন্য সেরা পাচঁটি অ্যাকোরিয়াম ফিশ: অ্যাকোরিয়াম ফিশ সম্পর্কে আমরা (অ্যাকোরিয়াস্ট) সাধারণত খুব ভালো ধারণা রাখি – তারা (অ্যাকোরিয়াম ফিশ)  সুন্দর, রঙিন, প্রিয় ও মনোরম। তবে, এই সুন্দর প্রাণীগুলির যে ধরনের আবাসন প্রয়োজন তা নির্ধারণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অ্যাকোরিয়ামের বানানো এবং তাদের অবস্থানের সঠিকতা বিবেচনা করে, আপনি আপনার অ্যাকোরিয়ামের জন্য সেরা ফিশ বেছে নিতে পারেন। আমরা সাধারণত বিভিন্ন ধরণের অ্যাকোরিয়াম ফিশ দেখতে পাই, যেমন নেওন টেট্রা, গ্লোব ফিশ এবং মোলি ফিশ। তবে, আরও কিছু আকর্ষণীয় এবং রঙিন ফিশ আছে যা আপনার অ্যাকোরিয়ামের সৌন্দর্যের উন্নতি করতে সাহায্য করতে পারে। তাই, এই আর্টিকেলে আমরা আপনার অ্যাকোরিয়ামের জন্য সেরা পাঁচটি অ্যাকোরিয়াম ফিশ নিয়ে আলোচনা করেছি।

এঞ্জেল ফিশ (Angel Fish):

Angel Fish

 

এঞ্জেল ফিশ অসাধারণ সুন্দর এবং গম্ভীর রঙের ফিশ। এরা মিষ্টি পানির মাছ যা দৈর্ঘ্যে ৬ ইঞ্চি এবং প্রস্তে ৮ ইঞ্চি লম্বা হতে পারে। তারা খুব সুন্দর এবং বিভিন্ন রঙ্গের হয়ে ঠাকে। তারা গাছপালা এবং অন্যান্য প্রাণী যেমন ছোট পোকামাকড় এবং চিংড়ি খায়। তাই তাদের ছোট মাছ থেকে দূরে রাখা উচিত। এরা রাক্ষুসে এবং আক্রমণাত্মক হয়ে থাকে। এরা দক্ষিণ আমেরিকার গিয়ানা অঞ্চলের অ্যামাজনের প্রাণী ও তাদের বিভিন্ন নদীতেও পাওয়া যা। এই মাছগুলোর দেহ গোলাকার এবং ত্রিভুজের মতো হয়ে থাকে। এই আকৃতির জন্য তারা খুন সহজেই গা ঢাকা দিতে পারে। ডিম সাধারণত মাছের মত একগুচ্ছ হয়।

নেওন টেট্রা (Neon Tetra):

Neon Tetra

 

নেওন টেট্রা অসাধারণ সুন্দর এবং অ্যাকোরিয়াম ফিশের মধ্যে জনপ্রিয় প্রজাতের ফিশ। এই মাছগুলো অ্যাকোরিয়ামে সুন্দরভাবে ঘুড়ে বেড়ায় সেই সাথে এদেরকে সুস্থ রাখার জন্য তাদের প্রয়োজনীয় সামগ্রী দরকার হয়। এরা ২০ থেকে ২৮ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড এবং পিএইচ ৪-৭.৫ এদের জন্য আদর্শ বন্য অঞ্চলে তারা খুব নরম, অম্লীয় পানিতে বাস করে যা সাধারণত ২৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের তুলনায় শীতল হয় (৭৭ °) সে.সি.। এই ফিশগুলি দশ বছরের অধিক এবং অ্যাকোয়ারিয়ামে সাধারণত পাঁচ বছর পর্যন্ত বাঁচতে পারে। নিয়ন টেট্রাস দৈর্ঘ্যে ৩.৫ সে.মি. পর্যন্ত বড় হয়।

বেটা ফিশ (Betta Fish):

Betta Fish

 

বেটা ফিশ একটি অবস্থানিক অ্যাকোরিয়াম ফিশ যা দেখতে সুন্দর এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতা প্রিয় মানুষের জন্য উত্তম হিসেবে পরিচিত। এরা ফাইটিং ফিশ হিসাবেও পরিচিত। তারা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় মিঠা পানির মাছ ও এদের সুন্দর রঙ, আকার-আকরিতির রয়েছে। এরা কম্বোডিয়া এবং থাইল্যান্ডের মতো অঞ্চলের মাছ। এরা ২ থেকে ৪ বছর পর্যন্ত যে কোনও জায়গায় থাকতে পারে।

মোলি ফিশ (Molly Fish):

Molly Fish

 

মোলি অ্যাকোয়ারিস্টদের জন্য প্রিয় ফিশ হিসেবে পরিচিত। মাছ গুলি সাধারণত প্রায়শই শুঁয়ে থাকে এবং অ্যাকোরিয়ামের অন্য মাছেদের সাথে খুব ভালোভাবে অ্যাকোরিয়ামে বসবাস করতে পারে। এরা মিঠা পানির প্রজাতি যা যত্ন নেওয়া সহজ। এরা প্রায় ৩ থেকে ৪ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। তারা উদ্ভিদ এবং অন্যান্য প্রাণী খেয়ে জীবন ধারন করে। তবে এই প্রজাতির মোলিগুলি রাখার জন্য পানির পিএইচ ৭.৫ থেকে ৮.৮, ১৫-৩০˚ ডিএইচ এবং ২৫-২৮˚ সি (৭৭-৮২˚F) এর কাছাকাছি রাখা উচিত। তাদের পুস্টিকর খাবার না খাইয়ে পোকার ডিম এবং শৈবাল জাতিয় খাবার খাওয়ালেই স্বাভাবিক ভাবে ভালো থাকে। এরা সোনালি, কালো, হলুদ, রঙের হয়ে থাকে। তাদের এই রঙ্গিন শরীর এর জন্য অ্যাকুরিয়াম প্রেমিদের কাছে তারা বিখ্যাত।

গোল্ড ফিশ (Goldfish):

Goldfish

 

গোল্ড ফিশ সহজে পাওয়া যায় এবং এগুলি একটি অ্যাকোরিয়ামের জন্য অত্যন্ত প্রিয় হিসেবে পরিচিত। মাছগুলি সাধারণত বিভিন্ন আকার এবং আকর্ষণীয় রঙে উপলব্ধ, যা আপনার অ্যাকোরিয়ামে ভালোবাসা বৃদ্ধি করে। এটি সুন্দর প্রজাতির, যা ১৪ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। কিছু বুনো গোল্ডফিশ ২৫ বছর বা তারও বেশি সময় বেঁচে থাকতে পারে! অ্যাকোরিয়ামে গোল্ডফিশ কমপক্ষে ২০ গ্যালন এমন একটি ট্যাঙ্কে ঠিক ভাবে থাকতে পারবে। এই মাছগুলির নিয়মিত পরিচর্যা করতে হয়। এরা সুন্দর হলেও এরা বেশ পানি ময়লা করে, তাই প্রতি সাপ্তাহে এদের থাকার পানি পরিবর্তন করতে হয়। 

উপসংহার:

অ্যাকোরিয়ামের জন্য সেরা পাচঁটি অ্যাকোরিয়াম ফিশ: এই পাঁচটি অ্যাকোরিয়াম ফিশের মাধ্যমে আপনি আপনার অ্যাকোরিয়ামের সৌন্দর্য এবং আকর্ষণ বাড়াতে পারেন। তবে, যেসব ফিশ আপনি আপনার ট্যাঙ্কে যোগ করতে চান, তা নির্ধারণ করার আগে সঠিক যত্ন নিতে ভুলবেন না। সঠিক যত্নের সাথে, আপনি আপনার অ্যাকোরিয়ামে একটি সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর মিশ্রণ প্রকাশ করতে পারেন।

সিচলিড ফিশের বৈশিষ্ট্য এবং তথ্য

সিচলিড ফিশের বৈশিষ্ট্য বলতে সিচলিড ফিশ একটি ভিন্ন ধরণের রশ্মিযুক্ত মাছ। তারা তাদের প্রানবন্ত রঙ্গের জন্য বেশ পরিচিত যেমন লাল, নীল, হলুদ এবং সবুজ। এই সিচলিড মাছগুলো বেশিরভাগই অত্যন্ত আঞ্চলিক হয়ে থাকে। মূলত এই সিচলিড ফিশ পূর্ব আফ্রিকার তিনটি বড় জলাশয়ে পাওয়া যায়। এবং সেই সাথে মধ্য আমেরিকা, উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা এই সিচলিড ফিশগুলি পাওয়া যায়। সারা বিশ্বজুড়ে এই সিচলিড ফিশের ১৩৫০ টির বেশি প্রজাতি রয়েছে এবং বিভিন্ন জায়গায় ২০০০ প্রজাতিরও কথা বলা হয়েছে।

সিচলিড ফিশের শারীরিক বৈশিষ্ট্য

সিচলিড ফিশের রয়েছে বিভিন্ন ধরনের প্রানবন্ত রঙ্গ যেমন সাদা, কালো, লাল, নীল, হলুদ, সবুজ ও কমলা। সিচলিড ফিশের গড় আয়ু ১০-১৫ বছর এবং এই মাছগুলির ওজন ১০ এলবিএস ও মাছগুলির দৈর্ঘ্য ০.৯ মিটার বা ৩ ফুট পর্যন্ত হয়ে থাকে।

সিচলিড ফিশের বৈশিষ্ট্য

  • দীর্ঘ জীবনকাল।

  • প্রানবন্ত রঙ্গ।

  • অ্যাকোরিয়ামের অন্যান্য মাছের সাথে ভালো ব্যবহার।

  • সেই সাথে সিচলিড ফিশ খুবই শান্ত ও এক্টিভ প্রজাতির মাছ।

যদিও সিচলিড ফিশ প্রায় একান্তভাবে গ্রীষ্মমণ্ডলীর প্রাণী। তাদের ছোট আকার এবং উজ্জ্বল রঙ একটি অ্যাকোরিয়ামের সৌন্দর্য বাড়াতে সাহায্য করে।

সিচলিড ফিশের প্রজাতি

এই মাছের প্রজাতির বিষয়টি অজানা থাকলেও তবে বিভিন্ন শ্রেনীবিদগন এই সংখ্যাটি ১০০০ থেকে ২০০০ এর মধ্যে রেখেছেন, যেগুলোর মধ্যে বেশিরভাগই হলো আফ্রিকান। এই প্রজাতিগুলোর মধ্যে ৫০০ টিরও বেশি প্রজাতি রয়েছে ভিক্টোরিয়া, মালাউই এবং ত্যাঙ্গানাইকার হ্রদে। তারা প্রায় ১৪০ টি বা তারও বেশি শ্রেণিবিন্যাসে ছড়িয়ে পড়েছে। 

সিচলিড ফিশের বৈশিষ্ট্য এবং তথ্য

সিচলিড ফিশের বৈজ্ঞানিক নাম এবং শ্রেণিবদ্ধকরণ

সিচলিড ফিশের সমস্ত প্রজাতির নাম সিচলিড নামটি এসেছে প্রাচীন গ্রীক শব্দ থেকে। সিচলিডগুলি ক্রমবর্ধমান ক্রিয়াকলাপগুলির একটি অংশ। মনে রাখবেন সিচলিডের এই পরিবারগুলি জেনেরা পরিবারের তুলনায় নিম্ন শ্রেণিবিন্যাস।

সিচলিড ফিশের প্রজনন এবং জীবনকাল

এই মাচগুলি সমস্ত ধরণের মিলনের কৌশল প্রদর্শন করে এবং ডিম বহন করার জন্য তাদের দুটি ভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে। এই দুইটি পদ্ধতির মধ্যে একটি হলো সাবস্ট্রেট স্প্যানার এই পদ্ধতিটি মাছের মধ্যে একটি সাধারণ কৌশল, যেখানে মহিলা ডিমের একটি স্ট্রিং দেয় এবং পুরুষরা তাদের নিষিক্ত করে। অপরদিকে মাউথ ব্রিডাররা ডিম ফোটানোর পরেও মুখে রাখে কারন কাছাকাছি ‍যদি কোনো বিপদ থাকে। তবে মা আবার তার মুখের দিকে আশ্রয় নেওয়ার জন্য তার বাচ্চাদের সংকেত দিতে পারেন।

অনেক প্রজাতি আছে যারা যত্ন সহকারে তাদের ডিম বাড়াতে বাসা বাঁধবে এবং পরিবেশ বজায় রাখবে। তারপর বাচ্চাদের জন্য উদ্ভিদ পদার্থের ঘাস ও খাদ্য ত্যাগ করবে। সিচলিডগুলো তিনটি  স্বতন্ত্র কিশোর পর্যায়ে তাদের প্রজনন বিকাশের সম্ভাবনা রয়েছে: ডিমের স্টেজ, রিগ্রগার স্টেজ (ফ্রি-সাঁতার নয়) এবং ফ্রাই স্টেজ (ফ্রি-সাঁতার কিন্তু এখনও পিতামাতার উপর নির্ভরশীল)। যদি তারা কিশোর বয়সে বেঁচে থাকে তাহলে সিচলিডগুলি প্রায় ১০ বছর বা কখনোও কখনোও ১৮ বছর অবধি বেঁচে থাকে।

সিচলিড আবাসস্থল এবং  সংখ্যা

এই মাছগুলির মধ্যে বেশিরভাগ রয়েছে মধ্য আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, আফ্রিকা এবং দক্ষিণ এশিয়াসহ বিশ্বব্যাপী দক্ষিণের বেশিরভাগ অংশে এদের বিস্তার বিতরণ হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কেবল একটি একক দেশীয় প্রজাতি, রিও গ্র্যান্ডে সিচলিড রয়েছে তবে ৪৪ টি প্রজাতি বিশেষত ফ্লোরিডায় প্রবর্তিত হয়েছে।

সিচলিড ফিশ ২০০০ এর মতো প্রজাতি থাকা সত্ত্বেও প্রায় সমস্ত প্রজাতির সিচলিডগুলি কম নিম্ন-উচ্চতা হ্রদ ও কমপক্ষে ৬৮ ডিগ্রি ফারেনহাইট (২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) পছন্দ করে। যদিও এর বেশিরভাগ প্রজাতি মিঠা পানির সংস্থাগুলির সাথে একচেটিয়াভাবে থাকে যাতে সামান্য পরিমানে লবন থাকে। নদীর পানি বা হ্রদ লবণাক্ত পানির সাথে পানির সাথে মিশে যে পানিগুলো সাধারণত ব্রাকিশ পানি হয়ে থাকে। প্রায় সমস্ত ধরনের প্রজাতি শিলা, উপকূলরেখা বা খোলা পানিসহ একটি নির্দিষ্ট ধরণের আবাসস্থলের জন্য বিশেষায়িত।

Why Celebrate World Aquarium Day in Every Year

February 20th, World Aquarium Day: Plunging into the Depths

Every year on February 20th, World Aquarium Day could be one of the astounding oceanic environments housed in aquariums all around the world. Nowadays could be a to honor the ponder, assortment, and centrality of marine life. Let’s investigate the ins and outs of aquariums and how they develop our information and preservation endeavors as significant others and naturalists join together to celebrate this pivotal milestone.

What Makes World Aquarium Day Important

Regarding the Preservation of Marine Life

A stage for raising mindfulness of the preservation endeavors required to protect our seas and the marine life they bolster is given by World Aquarium Day. Aquariums play a pivotal part in teaching the open about issues on marine preservation, such as overfishing, contamination, and environmental corruption. By exhibiting different marine species and their territories, aquariums motivate guests to be stewards of the sea and take action to defend these delicate environments.

The Evolution of Aquariums

From Curiosity Cabinets to Conservation Centers

Aquariums have come a long way since their humble beginnings as private collections of curious aquatic specimens. Historically, wealthy individuals maintained small-scale aquariums, often referred to as “curiosity cabinets,” to showcase exotic fish and other marine creatures. Over time, these collections evolved into public aquariums, aiming to educate and entertain visitors while promoting marine conservation. Contemporary aquariums integrate state-of-the-art technology with immersive displays to provide guests with an unmatched perspective of the submerged realm.

World Aquarium Day 20 February

Aquariums’ Educational Potential

Creating a Wonder and Curiosity

Instruction about marine life and security is one of the most important objectives of aquariums. Through intelligent shows, guided visits, and instructive exercises, aquariums offer guests of all ages the chance to memorize biodiversity, marine environments, and the significance of feasible hones. By cultivating a sense of ponder and interest, aquariums touch off a passion for marine preservation and empower people to form educated choices that advantage of our seas.

Conservation Initiatives by Aquariums

Contributing to Marine Research and Conservation

Beyond education and entertainment, many aquariums actively participate in conservation initiatives and scientific research. Through partnerships with marine biologists, conservation organizations, and government agencies, aquariums contribute valuable data on marine species, habitats, and ecosystems. They also undertake breeding programs for endangered species, rehabilitate injured marine animals, and advocate for policies that protect ocean habitats. By leveraging their resources and expertise, aquariums play a vital role in preserving marine biodiversity and combating threats to our oceans.

Celebrating World Aquarium Day

Engaging Activities for Aquarium Enthusiasts

On World Aquarium Day, aquariums around the globe host special events and activities to engage visitors and promote marine conservation. From behind-the-scenes tours and interactive feeding sessions to educational workshops and conservation-themed exhibits, there’s something for everyone to enjoy. Whether you’re a seasoned marine enthusiast or a first-time visitor, World Aquarium Day offers a unique opportunity to connect with marine life and learn about the importance of protecting our oceans.

Conclusion

Dive into World Aquarium Day with Fish Mania BD

As we celebrate World Aquarium Day on February 20th, let’s take a moment to appreciate the beauty and diversity of our oceans. Through the efforts of aquariums worldwide, we can gain a deeper understanding of marine life and the urgent need for conservation. At Fish Mania BD, we’re dedicated to promoting marine conservation and sharing our passion for the underwater world with enthusiasts everywhere. Join us in honoring World Aquarium Day and together, let’s work towards a sustainable future for our oceans. Whether you’re exploring a local aquarium or supporting conservation efforts from afar, let World Aquarium Day be a reminder of the wonders that lie beneath the waves and the importance of protecting them for generations to come.

বিড়ালের যত্ন নিতে যে বিষয়গুলো আপনার জেনে নেওয়া অত্যান্ত জরুরি

পোষা প্রানীর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো বিড়াল। বিড়াল মানুষের সাথে খুব সহজেয় আপন হয়ে ওঠে। কিন্তু মানুষের সাথে বিড়ালের দূরত্ব হওয়ার কারনে বিড়ালের ভাষা বুঝতেও আমরা অনেক সময়ই ব্যর্থ হই। যার কারনে আমরা আমাদের প্রিয় বিড়ালটির সঠিকভাবে যত্ন নিতে পারিনা। বিড়ালকে সুস্থ রাখার প্রধান এবং প্রথম উপায় হলো বিড়ালের যত্ন নেওয়া।

আপনার পোষা বিড়ালকে সুস্থ রাখার কয়েকটি টিপস নিচে শেয়ার করা হলো যা আপনার পোষা বিড়ালের যত্ন নিতে সাহায্য করবে:

ভ্যাক্সিনেশনের মাধ্যমে পোষা বিড়ালের যত্ন

বিড়ালের যত্ন নেওয়ার সবথেকে কার্যকরী এবং গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলো ভ্যাক্সিনেশন পদ্ধতি। কেননা আমাদের দেশে বেশিরভাগ পোষা বিড়াল রাস্তা থেকে বা বাড়ির আশেপাশে থেকে এডপ্ট করা। সেক্ষেত্রে ভ্যাক্সিনেশন বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ভ্যাক্সিনেশন পদ্ধতির মধ্যে মূলত র‌্যাবিস ভ্যাক্সিনটি অন্যতম। এমনকি আপনার পোষা প্রাণীটি যদি কুকুর হয় সেক্ষেত্রেও এই পদ্ধতি অনুসরন করা উচিত।

বিড়ালকে সঠিকভাবে খাওয়ানো

সাধারনত, বিড়াল বা বিড়ালছানার জন্য আমরা উচ্চমানের ও সেরা মানের ব্রান্ডেড খাবার কেনার পরামর্শ দিই। আপনার পোষা বিড়ালের যত্নের জন্য আপনার পশু চিকিৎসক সেরা খাবারটি নির্ধারন করতে সক্ষম হবেন। বিড়ালকে সুস্থ রাখতে বিড়ালকে সঠিকভাবে খাবার দেওয়া প্রয়োজন। একটি বিড়ালকে কি এবং কতটুকু খাওয়ানো যাবে তা নির্ভর করে বিড়ালটির কার্যকলাপ, বয়স ও স্তরের উপর।

 

ঘুরে দেখুন সঠিক বিড়ালের খাবারগুলি।

 

ভেটেরিনারি কেয়ারের গুরুত্ব

প্রাপ্তবয়ষ্ক বিড়ালদের বছরে কমপক্ষে একবার সম্পূর্ণ পরীক্ষা করা উচিত। বিড়ালছানাগুলির প্রায় ৪ মাস বয়স না হওয়া অবধি সাধারণত প্রতি ৩ থেকে ৪ সপ্তাতে পশু ডাক্তারের পরিদর্শন করা উচিত। ৮ থেকে ৯ বছরের বেশি বয়ষ্ক বিড়াল পশু ডাক্তারের কাছে বছরের অন্তত দু’বার বা আরো বেশি নিয়ে যাওয়া উচিত।

বিড়ালের হাউজিং

আপনার পোষা বিড়ালটির ঘুম এবং বিশ্রামের জন্য আপনার বাড়িতে তার নিজস্ব পরিষ্কার, শুকনো জায়গা থাকা উচিত। সেই সাথে একটি নরম, উষ্ণ কম্বল বা তোয়ালে দিয়ে আপনার বিড়ালের বিছানায় দিন। বিছানাটি কিছু সময় পর পর পরিষ্কার করুন। এবং আপনার বিড়ালকে ঘরের ভিতরে স্থান দিন, কেননা এটি বাইরের বিড়াল বা কুকুরের সাথে মারামারি করার ঝুকি থাকে। মনে রাখবেন বাইরের বিড়ালদের fleas বা ticks দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। 

বিড়ালের যত্ন

 

অসুস্থতার লক্ষণ

যেহেতু অন্যান্যদের তুলনায় আপনার বিড়ালের সাথে আপনি সবচেয়ে পরিচিত সেহেতু আপনার বিড়ালের অসুস্থতার লক্ষন আপনিই ভালো বুজতে পারবেন যা কিনা একজন পশু ডাক্তারও মিস করতে পারে। অসুস্থতার সাধারণ লক্ষণগুলির মধ্যে ক্ষুধা না থাকা বা ক্রিয়াকলাপ হ্রাস পাওয়া এবং সেই সাথে রয়েছে মিভাব এবং ডায়রিয়া, ঘন ঘন (বা কম) প্রস্রাব করা, কাশি এবং হাঁচি দেওয়া বা চোখ, কান বা নাক থেকে স্রাব ইত্যাদি।

বিড়ালের স্বাস্থ্য:

আপনার পোষা বিড়ালটির যত্নের জন্য বছরে অন্তত একবার পশু চিকিৎসকের সাথে দেখা করা উচিত। এবং অসুস্থতা দেখা দিলে বা আহত হলে দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করুন।

বিড়ালের টিকা

মানুষের মতোই বিড়ালদেরও প্রতিরোধক ওষুধের মূল উপাদান টিকা প্রদান করা। রোগের সংস্পর্শে আসার আগে বিড়ালের টিকা সংক্রমণের বিরুদ্ধে উত্সাহিত করতে ভ্যাকসিনেশন দেওয়া হয়। মারাত্মক সংক্রামক অসুস্থতার বিরুদ্ধে মূল প্রতিরক্ষা হিসাবে বিড়ালদের নিয়মিতভাবে কয়েকটি ভ্যাকসিন দেওয়া হয় (উদাহরণস্বরূপ, প্যানেলিউকোপেনিয়া, হার্পিসভাইরাস)।

বিড়ালের ওষুধ সেবন

চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বিড়ালকে কখনই আপনি ওষুধ দেবেন না। আপনার যদি সন্দেহ হয় যে আপনার বিড়াল একটি বিষাক্ত পদার্থ খেয়েছে তাহলে যত দ্রুত সম্ভব পশুচিকিৎসকের নিকট যান।

বিড়ালের গ্রুমিং

বিড়ালরা ঘন ঘন তাদেরকে পরিস্কার করে। প্রতিটি বিড়ালের মালিকের উচিত তাদের পোষা বিড়ালটির লোম পরিষ্কার করা বা গোসল করানো। বিড়ালের লোম পরিষ্কার না করলে বিড়ালের অসুস্থতা হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

উপসংহার

আপনার প্রিয় বিড়ালের যত্ন নেওয়ার জন্য উপরোক্ত স্টেপগুলো অনুসরন করলে আপনার বিড়ালের অসুস্থতার হার কমে যাবে এবং বিড়ালে স্বাস্থ্যও ভালো থাকবে।

অ্যাকোরিয়াম মাছের খাবার দেওয়ার নিয়ম

অ্যাকোরিয়াম মাছের খাবার দেওয়ার নিয়ম – মাছ কি কি খাবার খায়? এই প্রশ্নের উত্তর না খুঁজে বরং আপনাকে খুঁজতে হবে, যে মাছ কিকি খাবার খায় না সেটা খুঁজে বের করা। কারন মাছ বিষাক্ত কোনো খাবার ছাড়া প্রায় সব ধরনের খাবার খেয়ে থাকে। আপনার অ্যাকোরিয়ামে আপনি যে ধরনের মাছ রাখবেন তাদের পছন্দ মত খাবারই আপনাকে দিতে হবে।

বাসা বাড়ি কিংবা অফিসের সৌন্দর্য্য বাড়ানোর জন্য অনেকেই অ্যাকোরিয়াম ব্যবহার করেন। কিন্তু অনেকেই আছেন সঠিকভাবে কিভাবে মাছকে খাবার দিতে হয় তা জানেন না। অ্যাকোরিয়ামের মাছকে ভালো রাখার জন্য প্রধান যে জিনিস সেটা হলো মাছের খাবার। এই ব্লগটি সম্পূর্ণ পড়লে আপনিও জেনে যাবেন কিভাকে অ্যাকোরিয়ামের মাছকে খাবার দিতে হয়, সেই সাথে সুস্থ থাকবে আপনার শখের অ্যাকোরিয়ামের মাছ।

একুরিয়ামের মাছ কেমন খাবার খায়? – অ্যাকোরিয়াম মাছেদের খাবার দিতে গিয়ে আমরা সব থেকে বেশি যে সমস্যায় পড়ি তা হলো অ্যাকোরিয়ামের পানি ঘোলা হয়ে যাওয়া। আর আমরা জানি যে অ্যাকোরিয়ামের পানি ঘোলা হওয়া মানেই মাছ মারা যাওয়ার সূত্রপাত। অনেকেই অনেকদিন ধরে অ্যাকোরিয়ামের মাছ পুষে চলেছেন, তাদের বিভিন্নজনকে বিভিন্ন মতামত দিতে দেখা যায়। কেউ বলে অ্যাকোরিয়ামে জ্যান্ত খাবার দিতে আবার কেউ বলে অ্যাকোরিয়ামে ড্রাই ফুড ব্যবহার করতে। কিন্তু নতুন অ্যাকোরিয়াস্টরা আসলে বুঝে উঠতে পারে না তাদের অ্যাকোরিয়ামের মাছের জন্য কেমন খাবার দেওয়া উচিত? আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করবো অ্যাকোরিয়াম মাছ কেমন খাবার খায়।

  • অ্যাকোরিয়াম মাছ সাধারণত ভালো মানের ও সহজে খাওয়া যায় এমন সব খাবারই খেতে পছন্দ করে।
  • অ্যাকোরিয়াম মাছ প্রক্রিয়াজাত শুকনো খাবারের পাশাপাশি বিভিন্ন ন্যাচারাল ফুড বা জীবন্ত খাবার ( যেমনঃ এলগি, জুওপ্লাংকটন, ডাফনিয়া, মশার লার্ভা, ফাইটোপ্লাংকটন, চিংড়ি মাছ এমনকি মাছের ফ্রাই) খেয়ে জীবনধারণ করতে পারে।
  • মনে রাখবেন অ্যাকোরিয়ামের মাছ কোনো প্রকার বিষাক্ত খাবার খায়না।

অ্যাকোরিয়াম মাছের খাবার :

অ্যাকোরিয়ামের মাছ সাধারণত দুই ধরনের খাবার খায় –

  1. Natural Food বা প্রাকৃতিক খাবার
  2. Processed Food বা প্রক্রিয়াজাতকরন খাবার

Natural Food বা প্রাকৃতিক খাবার

অ্যাকোরিয়ামের মাছ সবথেকে বেশি পছন্দ করে প্রাকৃতিক খাবার। প্রাকৃতিক খাবারগুলো মধ্যে রয়েছে যেমন: এলগি, জুওপ্ল্যাঙ্কটন, ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন, উদ্ভিদের অংশ, আর্টিমিয়া, ড্যাফনিয়া, ব্রাইন শ্রিম্প, মশার লার্ভা, স্নেইল, কেঁচো, বিভিন্ন পোকামাকড়, পিঁপড়ার ডিম এবং টিউবিফেক্স ইত্যাদি।

প্রধান কয়েকটি প্রাকৃতিক খাবার নিয়ে নিচে আলোচনা করা হলো:

মশার লার্ভা

  • মশার লার্ভা খুবই সহজলভ্য এবং অ্যাকোরিয়ামের মাছের জন্য খুবই পুষ্টিকর একটি খাবার।
  • অ্যাকোরিয়ামের ঢাকনা খোলা থাকলেই অনেক মশার লার্ভা হয় অ্যাকোরিয়ামের পানিতে।
  • এছাড়াও আপনি চাইলে বাসার ছাদ, বারান্দা কিংবা যেখানে সেখানে কোনো কিছুতে পানি রাখলেই অনেক লার্ভা পাওয়া যায়।যদিও তা বিপদজনক কেননা অনেক মশাবাহী রোগ ( যেমন ডেঙ্গু, চিকনগুনিয়া ) ছড়াতে পারে।

ড্যাফনিয়া

  • যদি বলা যায় তাহলে, ড্যাফনিয়া প্রায় সব ধরণের  জীবন্ত খাবারের মধ্যে সবথেকে নিরাপদ খাবার।
  • অ্যাকোরিয়ামের সব জাতের মাছই ড্যাফনিয়া খাবারটি খুব আনন্দের সাথেই খেয়ে থাকে।
  • ড্যাফনিয়া খাবারের পুষ্টিগুণও অনেক ভালো।
  • ড্যাফনিয়া চাষ করাও অনেকটা সহজ, অনেকগুলো কালচার মিডিয়ামে গ্রীণ ওয়াটার এবং সোর্স ফুড দিলেই ড্যাফনিয়া খাবার হয়ে যায়।

ব্রাইন শ্রিম্প বা চিংড়ি

  • ডিম থেকে চিংড়ি ফুটানোও অনেক সহজ, শুধু লবণাক্ত পানির পাত্রে এয়ারফ্লো চালিয়ে চিংড়ির ডিম দিয়ে ৩৬-৪৮ ঘন্টার মাঝে সব ডিম ফুটে চিংড়ি আসবে। এখানে পরজীবি সংক্রমণের বিষয় নাই বললেই চলে।
  • চিংড়ির ডিম সবসময়ই শুকনো জাগয়ায় রাখবেন তা’না হলে নষ্ট হয়ে যাবে অর্থাৎ ওইসব ডিম থেকে আর চিংড়ি আসবেনা।
  • ব্রাইন শ্রিম্প বা চিংড়ি সবচেয়ে ভাল পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ এবং সহজ লাইভ ফুড।

বিঃদ্রঃ  এইসব খাবারগুলো ফ্রিজে রেখে ড্রাই ফুড হিসেবে সংরক্ষণ করেও অনেকদিন করে খাওয়ানো যায়।

Processed Food বা প্রক্রিয়াজাতকরন খাবার

অ্যাকোরিয়াম মাছের আরেক ধরনের খাবার হলো প্রক্রিয়াজাতকরন খাবার। সকল ধরনের ড্রাই ফুড বা শুকনো খাবার সবই প্রক্রিয়াজাত খাবারের আওতায় পড়ে। এই তালিকায় আরো রয়েছে বাজারে পাওয়া যায় এমন কিছু খাবার, যেমন-  বিভিন্ন রকম প্যালেটস, ফ্লেকস, ট্যাবলেট, স্টিক ইত্যাদি। ঘরে তৈরি করা বিভিন্ন ধরনের খাবারগুলোও প্রক্রিয়াজাত খাবারের আওতায় পড়ে। তাছাড়াও এই তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ন্যাচারাল ফুডের ফ্রোজেন ভার্সন।

ফ্রোজেন ড্রাই ফুড

অ্যাকোরিয়াম মাছগুলো পছন্দের খাবারগুলো মধ্যে আরেকটি খাবার হলো ফ্রোজেন ড্রাই ফুড। এই খাবারগুলো মূলত বিভিন্ন জীবন্ত খাবারের ফ্রোজেন ভার্সন। এইসব খাবার বাজারে কিনতে পাওয়া যায় বা আপনি এগুলো বাড়িতেও বানাতে পারবেন।

প্যালেটস

  • প্যালেস মূলত গোলাকার দানাদার খাবার।
  • এই দানাগুলো খুব বেশী বড় হয়না।
  • বাজারে পাওয়া বেশীরভাগ খাবারই দানাদার খাবার।
  • প্যালেটস খাবারের মূল উপাদান হলো মাছ, স্কুইড, চিংড়ি, কেঁচো, স্পিরুলিনা, ভিটামিন, খনিজ, চর্বি, মাছের তেল এবং অন্যান্য তরল পুষ্টি সংমিশ্রণ।

ফ্লেক ফুড

অ্যাকোরিয়ামের মাছগুলো ফ্লেক ফুড খেতেও পছন্দ করে। ফ্লেক ফুড দেখতে অনেকটা ছেড়া কাগজের টুকরোর মতো। ফ্লেকস ফুডের মূল উপাদান হলো মাছ, স্কুইড, চিংড়ি, কেঁচো, স্পিরুলিনা, ভিটামিন এবং খনিজ এর সংমিশ্রণ।

বাড়িতে সহজে অ্যাকোরিয়াম মাছের খাবার তৈরির উপায়

অ্যাকোরিয়াম মাছের খাবার দেওয়ার নিয়ম মেনে আপনি চাইলে বাড়িতেও আপনার অ্যাকোরিয়ামের মাছের জন্য খুব ভালো মানের পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ খাবার বানাতে পারবেন। কিন্তু বেশিরভাগ সময় এটা ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ। বাড়িতে অ্যাকোরিয়ামের মাছের খাবার বানাতে হলে আপনাকে এই পাঁচটি স্টেপ ফোলো করতে হবে।

স্টেপ-১ বাড়িতে অ্যাকোরিয়াম মাছের খাবার তৈরির জন্য আপনি ব্যবহার করতে পারেন: মটরশুঁটির দানা, আলু সিদ্ধ, সিদ্ধ করা ডিমের কুসুম, এক বা দুইটি পুঁইশাকের পাতা, এক বা দু’কোয়া রসুন, চিংড়ি, মুরগির কলিজা, মাংসের টুকরো, তরমুজের টুকরো, গাঁজর ও শশার ফালি ইত্যাদি।

স্টেপ-২ এই সকল উপাদানগুলির মধ্যে যে উপাদানগুলি দিয়ে খাবার তৈরি করতে চান সেগুলো পরিমানমতো নিয়ে হালকা সিদ্ধ করে নিন। তবে যদি আলাদা আলাদা সিদ্ধ করতে পারেন তাহলে খুবই ভালো।

স্টেপ-৩ এরপর উপদানগুলো নিয়ে তার মধ্যে মাল্টি ভিটামিন তরল ক্যাপসুল (ফার্মেসিতে পাওয়া যায়) এর একটি বা দুইটি তরল অংশ একসাথে নিয়ে ব্লেন্ডারে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিন। এবং ব্লেন্ড করা হয়ে গেলে, ব্লেন্ড করা খাবার থেকে পানি অপসারণের জন্য কোনো সুতি কাপড়ের মাঝে নিয়ে চিপে চিপে সব পানি বের করুন।

স্টেপ-৪ তারপর যেটুকু খাবার পাওয়া গেলো তা সংরক্ষণের জন্য শুকাতে হবে, এজন্য আপনারা কোনো থালা বা বাটির উপর খাবারগুলো পাতলা করে লেপে দিয়ে রোদে বা চুলোয় খাবারটি শুকিয়ে নিন।

স্টেপ-৫ ব্যাস আপনার খাবার এখন রেডি। এখন যাতে করে বাতাস না ঢুকতে পারে এমন বয়েম বা প্যাকেট করে মাছকে খাওয়ান।

মাছের খাবার দেওয়ার নিয়ম | Fish Mania BD

মাছের খাবার দেওয়ার নিয়ম 

  • অ্যাকোরিয়াম মাছকে কখনোই বেশি করে খাবার দিবেন না। মাছকে এমনভাবে খাবার দিবেন যাতে করে খাবারটুকু অ্যাকোরিয়ামে থাকা মাছগুলো ২-৪ মিনিটের মধ্যে খেয়ে শেষ করতে পারে।
  • কতটুকু খাবার মাছগুলো ২-৪ মিনিটের মধ্যে শেষ করতে পারে তা বোঝার জন্য আপনি আপনার ইচ্ছেমতো খাবার দিন এরপন দেখুন ৪ মিনিটে তারা কতটুকু খাবার খেয়েছে তার একটা ধারনা নিন। এরপর অতিরিক্ত খাবার জাল দিয়ে সরিয়ে ফেলুন।
  • আপনার অ্যাকোরিয়ামে যদি অ্যামোনিয়া, ইউরিয়া ফিলট্রেশনের ব্যবস্থা ভালো থাকে তাহলে দিনে ২/৩ বার খাবার দিলেও সমস্যা হবেনা। কিন্তু ফিলট্রেশন ব্যবস্থা ভালো না থাকলে দিনে ১/২ বার খাবার দিন। কারন মাছ খেয়ে শেষ করতে না পারলে তা অ্যাকোরিয়ামের নিচে জমা হবে এবং অ্যাকোরিয়ামের পানির পরিমান বেশি হবে, পরবর্তীতে পানি দূষিত হয়ে অ্যাকোরিয়ামের মাছ মারা যাবে। 

উপরোক্ত বিষয়গুলো অনুসরন করলে আপনার অ্যাকোরিয়ামের যত্নও ‍সুন্দর হবে সেই সাথে অ্যাকোরিয়ামের পরিবেশও ঠিক থাকবে।

কিভাবে অ্যাকোরিয়াম মাছের যত্ন নেবেন?

অ্যাকোরিয়াম মাছের যত্ন নেওয়ার জন্য প্রথমেই প্রয়োজন হয় মাছের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ। কেননা অ্যাকোরিয়াম শুধু ঘর বা অফিস সাজানোর জন্যই নয়, কারন এর মধ্যে রয়েছে জীবন্ত মাছ, তাই উপযুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলে অ্যাকোরিয়াম মাছের সৌন্দর্য উপভোগ করা উচিৎ। সেই সাথে মাছের যত্ন নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। মাছ ছাড়ার আগে অবশ্যই আপনাকে অ্যাকোরিয়ামে একটি নাইট্রোজেন সিস্টেম তৈরি করতে হবে। সেজন্য আপনার অ্যাকোরিয়ামে পানি পূর্ণ করে ফিল্টার সংযোগ দিতে হবে। কিন্তু কখনোই গ্রাভেল ফিল্টার ব্যবহার করবেন না এটা খুব একটা কাজে দিবে না। সবসময় এগুলো (গ্রাভেল ফিল্টার) ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করবেন।

বাসাবাড়ি কিংবা অফিসের এক কোণে ছোট বা বড় একটি অ্যকোরিয়াম থাকলে খারাপ দেখায় না। বরং রঙ্গিন মাছগুলোর সৌন্দর্য দেখতে ভালোই লাগে। কিন্তু আমরা ভুলে যাই যে তারা জীবন্ত প্রাণী, ফলে আমাদের অবহেলার কারনে অ্যাকোরিয়ামের মাছগুলো বেশিদিন বেঁচে থাকে না। কাজেই অ্যাকোরিয়াম মাছের যত্ন নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

অ্যাকোরিয়াম মাছের যত্ন নেওয়ার জন্য কিছু টিপস:

সাইক্লিং

অ্যাকোরিয়ামে মাছ ছাড়ার আগে যে কাজটা প্রয়োজন সেটি হলো সাইক্লিং। সাইক্লিং বলতে মূলত মাছ ছাড়ার আগে অ্যাকোরিয়ামের পানির মান মাছ ছাড়ার জন্য উপযুক্ত করে তোলার পদ্ধতিই হলো সাইক্লিং। মাছ ছাড়ার অন্তত এক সপ্তাহ আগে পানিতে অণুজীবের সংখ্যা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত প্রয়োজন। এই ধরনের অণুজীব পানির আবর্জনাকে বিয়োজিত করে ফলে সেই পানি মাছের বসবাসের জন্য উপযোগী হয়ে ওঠে। বাজারে এই উপাদান কিনতে পাওয়া যায়। কিন্তু মনে রাখবেন অ্যাকোরিয়ামে মাছ থাকলে কোনোভাবেই সাইক্লিং করা উচিত নয়।

অ্যাকোরিয়ামের পানি নিয়ন্ত্রন

মনে রাখবেন আপনার অ্যাকোরিয়ামের পানির তাপমাত্রা যত বেশি হবে সেই পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ ততই কম হবে। কাজেই আপনাকে আপনার অ্যাকোরিয়ামের পানিতে এয়ার পাম্পের সাহায্যে বেশি পরিমাণ অক্সিজেন সরবরাহ করতে হবে। সপ্তাহে অন্তত ৩০-৪০ ভাগ পানি বদলে দিতে হবে, এতে করে মাছ ভালো থাকবে। অ্যাকোরিয়ামের মধ্যে বেশ কিছু জলজ গাছ লাগালে পানির তাপমাত্রা কম থাকবে। পানি পরিষ্কার রাখতে ফিল্টার ব্যবহার করুন, সেক্ষেত্রে এক মাস পরপর ফিল্টারের ভেতরে থাকা অ্যাক্টিভেটেড কার্বন বদলে দিতে হবে।

মাছের খাবার

অ্যাকোরিয়ামের মাছের যত্নের জন্য মাছের খাবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মাছ কেনার আগে অবশ্যই জেনে নিতে হবে কোন মাছ কি ধরনের খাবার খায়। মনে রাখবেন মাছকে কখনো অতিরিক্ত খাবার দিবেন না বরং সময়মতো পর্যাপ্ত খাবার দিন। অ্যাকোরিয়ামের মাছগুলো প্রক্রিয়াজাতকরন শুকনো খাবারের পাশাপাশি কিছু ন্যাচারাল বা জীবন্ত খাবারও পছন্দ করে। তাদের মধ্যে রয়েছে যেমন: মশার লার্ভা, কেঁচো, বিভিন্ন পোকামাকড়, পিঁপড়ার ডিম, চিংড়ি এগুলো খেয়েও জীবনধারণ করতে পারে। মাছগুলোকে কম প্রোটিনযুক্ত এবং বেশি ফাইবার আছে এমন ধরনের খাবার দিন। এতে মাছের খাবার হজম করতে সহজ হবে।

অ্যাকোরিয়াম মাছের যত্ন

সাধারণত অ্যাকোরিয়ামের পানির তাপমাত্রা পরিবর্তনের কারণে মাছগুলোর ছত্রাকজনিত রোগ হতে পারে। তাই নজর রাখতে হবে এবং আক্রান্ত মাছকে যত দ্রুত সম্ভব সরিয়ে ফেলতে হবে। প্রয়োজনমতো ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করুন। মনে রাখবেন কখনোই মাছ সরাসরি হাত দিয়ে ধরবেন না সবসময় নেট দিয়ে ধরা উচিত। মাছের পাখনায় সংক্রমণ হয়ে চর্মরোগ দেখা দিলে অ্যান্টিসেপটিক সলিউশন প্রয়োগ করতে হবে, যা অ্যাকোরিয়ামের দোকানগুলোতেই পাওয়া যায়।

কিভাবে অ্যাকোরিয়াম মাছের যত্ন নেবেন

সঠিক মাছ কেনা

নতুর অ্যাকোয়ারিস্টরা যে ভুলটি করে সেটি হলো তারা দোকান থেকে যে কোনো ধরনের মাছ কিনে নিয়ে আসে। মনে রাখবেন যে, কোনো মাছ দেখতে ভাল লাগলেই কিনে ফেলা উচিত নয়। বরং আপনাকে মাথায় রাখতে হবে যে, কোন মাছ কোন উষ্ণতার পানিতে থাকে, কতটা স্থান প্রয়োজন কিংবা একাধিক প্রজাতির মাছ একই সঙ্গে থাকতে পারে কিনা, এই দিকগুলো বিবেচনা করে আপনার মাছ কেনা উচিৎ। পাশাপাশি খেয়াল রাখতে হবে যেন মাছের সংখ্যা অতিরিক্ত হয়ে না যায়।

অ্যাকোরিয়াম পরিষ্কার

প্রতি মাসে অন্তত একবার সম্পূর্ণ অ্যাকোরিয়াম পরিষ্কার করা প্রয়োজন। অ্যাকোরিয়ামে যদি বেশি পরিমাণে মাছ থাকে সেক্ষেত্রে এক মাস হওয়ার আগেই পরিষ্কার করতে হবে। তবে বিশেষজ্ঞদের কথা অনুযায়ী অ্যাকোরিয়ামের প্রতি এক গ্যালন পানিতে একটির বেশি মাছ না রাখা উচিৎ। অ্যাকোরিয়াম পরিষ্কার করার সময় যদি অ্যাকোরিয়ামে কৃত্রিম অক্সিজেনের ব্যবস্থা থাকে তাহলে আগে সেটি বন্ধ করে নিতে হবে। তারপর মাছগুলোকে নিরাপদে জায়গায় সরিয়ে নিতে হবে সেটাও খুব সতর্কতার সঙ্গে।

অ্যাকোরিয়ামে বাহারি রঙ্গের রঙ্গিন মাছের সৌন্দর্য সবাই উপভোগ করতে ভালোবাসে। উপরে আলোচনা করা বিষয়গুলো সঠিকভাবে অনুসরন করতে পারলে আপনার অ্যাকোরিয়ামের মাছ মারা যাওয়ার হার কমে আসবে এবং এর পাশাপাশি বাড়িয়ে তুলবে আপনার অ্যাকোরিয়ামের সৌন্দর্য।

অ্যাকোরিয়ামের মাছ মারা যাওয়ার কারন কি কি?

অ্যাকোরিয়ামের মাছ মারা যাওয়ার কারন – অ্যাকোরিয়ামের মাছ ভালোবসার কারনে অনেকে অ্যাকোরিয়ামের মাছ পোষেন, কিন্তু অনেক সময় বিভিন্ন কারনে অ্যাকোরিয়ামের মাছ মারা যায়। আর প্রত্যেক অ্যাকুয়ারিস্টের কাছে একটি আতঙ্কের নাম হলো অ্যাকোরিয়ামের মাছ মারা যাওয়া। এই মাছগুলো সবসময় সব জায়গায় পাওয়া যায় না বললেই চলে। যারা এই অ্যাকোরিয়ামের ভালোবাসেন, তারা অনেক পছন্দ করে অনেক দোকান ঘুরে ঘুরে মাছ কিনে থাকেন এবং খুব যত্ন করে মাছ বাড়িতে নিয়ে আসেন। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই দেখা যায় যে অনেক মাছই একদিন বা দুইদিন অথবা সর্বোচ্চ এক সপ্তাহের মধ্যেই মারা যায়। তখন অ্যাকোয়ারিস্টদের মন খারাপ হয়ে যায়, তখন তারা তাদের অ্যাকোরিয়ামের মাছ বাঁচানোর জন্য বিভিন্নজনের মত নেয় এবং মাছ মারা ‍যাওয়ার কারন জানতে চায়। অ্যাকোয়ারিস্টদের নানান লোকের নানান মত নিতে দেখা যায়। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তারা নিরাশ হয়ে যায় এবং মাছ পোষা ছেড়ে দেয়। সেই সাথে অ্যাকোরিয়ামের প্রতি তাদের আস্থা কমে যায়।

চলুন আজকে জেনে নেওয়া যাক অ্যাকোরিয়ামের মাছ মারা যাওয়ার প্রধান ৭ টি কারন:

১) এক সঙ্গে ছোট-বড় সব রকমের মাছ অ্যাকোরিয়ামে রাখা

অনেক সময় দেখা যায় যে অ্যাকোয়ারিস্টরা তাদের অ্যাকোরিয়ামে এক সঙ্গে ছোট-বড় সব রকমের মাছ রাখে, তখন এক প্রজাতির মাছ আরেক প্রজাতির মাছের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারে না, ফলে অ্যাকোরিয়ামের পরিবেশ নষ্ট হয়ে যায়, যার কারনে অ্যাকোরিয়ামের মাছ মারা যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

২) অ্যাকোরিয়ামের আয়তন অনুযায়ী মাছের পরিমান বেশি রাখা

অ্যাকোয়ারিস্টরা যখন তাদের অ্যাকোরিয়ামের আয়তনের থেকে অধিক মাছ রাখে, তখন অ্যাকোরিয়ামের মাছগুলো খোলা পরিবেশ পায় না, খোলামেলা পরিবেশ না পাওয়ার কারনে তারা ঠিক মতো সাতাড় কাটতে পারেনা। যার ফলে বেশিরভাগ মাছই মারা যায়।

অ্যাকোরিয়ামের আয়তন অনুযায়ী মাছ রাখার নিয়ম-

10-15 গ্যালন: 4-6 টি ছোট মাছ বা 2-3 টি মাছ।

20-30 গ্যালন: 6-12 টি ছোট মাছ বা 3-6 টি মাছ।

40-50 গ্যালন: 8-15 টি মাছ।

75-100 গ্যালন: 15-20 টি মাছ।

৩) দোকান থেকে রোগাক্রান্ত মাছ কিনে এনে অ্যাকোরিয়ামে ছাড়া

অনেক সময় অ্যাকোয়ারিস্টরা দোকান থেকেই রোগাক্রান্ত মাছ কিনে নিয়ে আসে। যার কারনে দেখা যায় যে আপনার অ্যাকোরিয়ামে থাকা বাকি মাছগুলোও রোগাক্রান্ত হয়ে পড়ে। এতে করে আপনার অ্যাকোরিয়ামের মাছ বেশিদিন বেঁচে থাকতে পারে না। এর পাশাপাশি আপনি যদি অ্যাকোরিয়াম মাছের রোগ নির্ণয় করতে না পারেন সেক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটবে।

অ্যাকোরিয়ামের মাছ মারা যাওয়ার কারন

৪) অ্যাকোরিয়ামের পানি সঠিক ভাবে পরিষ্কার না করা

আপনি যদি অ্যাকোরিয়ামের পানি সঠিকভাবে পরিষ্কার না করেন তাহলে আপনার অ্যাকোরিয়ামের মাছ বেশিদিন বাঁচবে না বললে ভুল হবেনা। কারন মাছেরা মলত্যাগ করে যার কারনে পানি দূষিত হয় এবং আপনি যখন খাবার দেন ঠিক সেই সময়ও পানি অপরিষ্কার হয়ে যায়। কাজেই আপনার উচিত সপ্তাহে অন্তত এক থেকে দুইবার অ্যাকোরিয়ামের পানি পরিষ্কার করা।

৫) হঠাৎ করে পানির তাপমাত্রার পরিবর্তন করা

অ্যাকোরিয়ামের মাছগুলো একটি সুষ্ঠ পরিবেশে বেড়ে উঠতে থাকে। তারা তখন ঐ পরিবেশের সাথে নিজেদের খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম হয়। সেই সময়ে হঠাৎ করে পানির তাপমাত্রা পরিবর্তন করলে অ্যাকোরিয়ামের পরিবেশ নষ্ট হয়ে যায় এবং মাছ মারা যায়।

৬) বেশি  পরিমান খাবার দেওয়া

অ্যাকোরিয়ামের মাছ মারা যাওয়ার প্রধান এবং অন্যতম কারন হলো মাছেদের বেশি পরিমান খাবার দেওয়া। নতুন অ্যাকোয়ারিস্টরা এই ভুল কাজটি বেশি বেশি করে থাকে। তারা মাছ কিনে নিয়ে আসার পরে মাছের তুলনায় অধিক বেশি পরিমানে খাবার দেয়। যার ফলে অ্যাকোরিয়ামের সুষ্ঠ পরিবেশ থাকে না এবং মাছ মারা যায়। এই বিষয়ে নতুন এবং অভিজ্ঞ অ্যাকোয়ারিস্ট সবাইকে সচেতন হওয়া উচিত।

অ্যাকোরিয়াম মাছের খাবার দেওয়ার নিয়ম জানতে এখানে ক্লিক করুন

৭) পানির মধ্যে গাছের পঁচা পাতা পরিষ্কার না করা

অ্যাকোরিয়াম মাছ মারা যাওয়ার আরেকটি প্রধান কারন হলো পানির মধ্যে গাছের পঁচা পাতা পরিষ্কার না করা। একটি অ্যাকোরিয়ামের সৌন্দর্য বাড়াতে এবং অ্যাকোরিয়ামের সুষ্ঠ পরিবেশের জন্য অ্যাকোরিয়ামে বিভিন্ন ধরনের গাছ দিয়ে সাজানো হয়। কিন্তু অনেক সময় অ্যাকোয়ারিস্টরা এই গাছগুলোর পঁচা পাতা পরিষ্কার করতে ভুলে যায়, যার ফলে অ্যাকোরিয়ামের পানি দূষিত হয় এবং পরিবেশ নষ্ট হয় এতে অধিক হারে অ্যাকোরিয়ামের মাছ মারা যায়।

উপরের বর্ণিত গুরুত্ত্বপূর্ণ কারনগুলি, অ্যাকোরিয়ামের মাছ মারা যাওয়ার কারন। নতুন এবং অভিজ্ঞ অ্যাকোয়ারিস্টরা যদি এই বিষয়গুলো দেখেশুনে অ্যাকোরিয়ামের যত্ন নেয় তাহলে অ্যাকোরিয়ামের মাছ বেশিদির বাঁচার সম্ভাবনা থাকে।